প্রাণী কলা প্রধানত কত প্রকার?
-
ক
৮ প্রকার
-
খ
১২ প্রকার
-
গ
৪ প্রকার
-
ঘ
৩ প্রকার
কলার গঠন, সংখ্যা বৈশিষ্ট্য, মাতৃকার পরিমাণ, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে প্রাণীদেহে কলা প্রধানত চার প্রকার :
(১) আবরণী কলা (Epithelial tissue)
(২) যোজক কলা (Connective tissue)
(৩) পেশী কলা (Muscular tissue)
(৪) স্নায়ু কলা (Nervous tissue)
কলার গঠন, সংখ্যা বৈশিষ্ট্য এবং মাতৃকার পরিমাণ, বৈশিষ্ট্য ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে প্রাণী কলা প্রধানত চার প্রকার: আবরণী কলা (Epithelial tissue) যোজক কলা (connective tissue) পেশী কলা (Muscular tissue)
প্রাণীর বিভিন্নতা বা প্রাণিবৈচিত্র্য (Animal Diversity)
পৃথিবীর সমস্ত জলচর, স্থলচর ও খেচর প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, প্রজাতিগত ও বাস্তুসংস্থানগত বিভিন্নতা দেখা যায় প্রজনন, পরিযায়ী (migration) সহ আরও অনেক বিষয়ে প্রাণিদের বৈচিত্র্য সুস্পষ্ট। প্রত্যেক প্রাণী নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে মন্ডিত হয়ে অন্য প্রাণী থেকে ভিন্ন । পৃথিবীর বিচিত্র পরিবেশে দৃশ্য ও অদৃশ্যমান অসংখ্য প্রাণীর বিচরণ রয়েছে। প্রাণিবৈচিত্র্যের প্রকারভেদ প্রাণিবৈচিত্র্য নিচে বর্ণিত তিন প্রকার ।
ক. জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity): একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে উক্ত প্রজাতির প্রাণিদের মধ্যে যে বৈচিত্র্যের উদ্ভব ঘটে তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক (intraspecific) বৈচিত্র্যও বলা হয়। যেমন-একজন আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ এবং একজন অস্ট্রেলিয়ান শ্বেতাঙ্গ মানুষ উভয়েই একই প্রজাতি অর্থাৎ Homo sapiens -এর অন্তর্ভুক্ত হওয়াসত্ত্বেও এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। জিনগত পার্থক্যের কারণেই এদের মধ্যে বৈচিত্র্যতা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত জিনগত বৈচিত্র্যের বিষয়টি কেবল গৃহপালিত প্রজাতি বা চিড়িয়াখানায় কিংবা উদ্ভিদ উদ্যানের প্রজাতির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হতো, বর্তমানে বন্যপ্রজাতির ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হচ্ছে।
খ. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity) : ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্ৰজাতিগত বৈচিত্র্য বলা হয় দুই প্রজাতির প্রাণী কখনোই এক রকম হয় না। একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ক্রোমোজোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। এ ধরনের বৈচিত্র্যকে আন্তঃপ্রজাতিক (interspecific) বৈচিত্র্যও বলা হয়। যেমন-রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) এবং সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত দুটি ভিন্ন প্রজাতির প্রাণী। এদের মধ্যে গণপর্যায়ে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ মিল থাকলেও প্রজাতি পর্যায়ে ক্রোমোজোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যাবলির মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে।
গ. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity): পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশীয় একক বা বায়োম (biom) সৃষ্টি হয়) যেমন-মরু বায়োম, বনভূমি বায়োম, তৃণভূমি বায়োম ইত্যাদি। প্রতিটি বায়োমে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমন্ডিত বৈচিত্র্যময় জীব রয়েছে। বিভিন্ন বায়োমে বাসকারী জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। তুন্দ্রা বায়োমের শ্বেত ভল্লুক এবং বনভূমি বায়োমের ভাল্লুকের মধ্যে এ বৈচিত্র্য বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্রের একটি উদাহরণ।
Related Question
View AllArthropoda পর্বের প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ কোনটি ?
-
ক
মালপিজিয়ান নালিকা
-
খ
নেফ্রন
-
গ
শিখা কোষ
-
ঘ
নেফ্রিডিয়া
পরিফেরা পর্বের প্রাণীদেহে পানি প্রবেশ ও বের হওয়ার ছিদ্রদ্বয়ের নাম যথাক্রমে-
-
ক
স্পঞ্জোসিল, স্পঞ্জিন
-
খ
অস্টিয়া, স্পঞ্জিন
-
গ
অসক্যুলাম স্পঞ্জোসিল
-
ঘ
অস্টিয়া, অসকুলাম
কোনটি নিডারিয়া পর্বের প্রাণী?
-
ক
Physalia
-
খ
Spongilla
-
গ
Bipalium
-
ঘ
Pinctada
Annelida এর রেচন অঙ্গ কোনটি?
-
ক
কক্সাল গ্রন্থি
-
খ
অ্যান্টেনাল গ্রন্থি
-
গ
মালপিজিয়ান নালিকা
-
ঘ
নেফ্রিডিয়া
নেফ্রিডিয়া কী?
-
ক
কেঁচোর চলন অঙ্গ
-
খ
কেঁচোর শ্বসন অঙ্গ
-
গ
কেঁচোর রেচন অঙ্গ
-
ঘ
কেঁচোর প্রজনন অঙ্গ
কেঁচো কোন অঙ্গের মাধ্যমে শ্বাসপ্রশ্বাস নেয় ?
-
ক
ফুলকা
-
খ
হৃৎপিণ্ড
-
গ
ত্বক
-
ঘ
ফুসফুস
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন